
এই নিষেধাজ্ঞার ফলে ভোলা জেলার সাত উপজেলার প্রায় ৬৫ হাজার নিবন্ধিত জেলে কর্মহীন হয়ে পড়ছেন। উপার্জনের একমাত্র পথ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় তারা চরম অনিশ্চয়তায় দিন কাটাচ্ছেন। অনেক জেলে ইতিমধ্যে জাল ও ট্রলার নিয়ে তীরে ফিরে এসেছেন। তবে সংসার চালানো এবং এনজিও ঋণের কিস্তি পরিশোধ নিয়ে দুশ্চিন্তায় রয়েছেন তারা।
জেলা মৎস্য বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, ভোলার সাত উপজেলায় মোট ৬৩ হাজার ৯৫৪ জন সাগরের জেলে রয়েছেন। এর মধ্যে সর্বোচ্চ সংখ্যক জেলে রয়েছে চরফ্যাশন উপজেলায়। এছাড়া দৌলতখান, মনপুরা, লালমোহন, বোরহানউদ্দিন, তজুমুদ্দিন ও সদর উপজেলাতেও হাজার হাজার জেলে এই নিষেধাজ্ঞার আওতায় পড়েছেন।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও আইনমন্ত্রীর বক্তব্যে আইনগত অসঙ্গতি রয়েছে: শিশির মনির
নিষেধাজ্ঞা চলাকালে স্থানীয় জেলেরা অভিযোগ করেছেন, বাংলাদেশি জেলেরা সাগরে না গেলেও বিদেশি, বিশেষ করে ভারতীয় জেলেরা অবৈধভাবে জলসীমায় প্রবেশ করে মাছ আহরণ করছে। তারা সীমান্তে কঠোর নজরদারির দাবি জানিয়েছেন, যাতে নিষেধাজ্ঞার সুফল দেশীয় জেলেরা পেতে পারেন।
এ বিষয়ে ভোলা জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোহাম্মদ ইকবাল হোসেন জানান, নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়নে জেলা প্রশাসন ও টাস্কফোর্স সর্বাত্মক প্রস্তুতি নিয়েছে। জেলেদের সহায়তায় প্রত্যেক নিবন্ধিত জেলেকে ৭৭ কেজি করে ভিজিএফ চাল বিতরণ করা হবে।
এদিকে সরেজমিনে দেখা গেছে, ভোলার বিভিন্ন খালে ট্রলারের ভিড় বেড়েছে। জেলেরা তীরে ফিরে জাল ও নৌযান মেরামতের কাজ করছেন। তাদের প্রধান দাবি—সময়ের মধ্যে সরকারি সহায়তা প্রদান এবং জলসীমায় কঠোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



