ছবি-সংগৃহীত।
Advertisement
সাইফুল ইসলাম, মানিকগঞ্জ : ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের ধামরাই উপজেলার বাথুলি বাসষ্ট্যান্ডে নিয়ন্ত্রণ হারানো বাসের চাপায় শাশুড়ি ও পুত্রবধু নিহত হয়েছেন। এ সময় ওই পরিবারের আরেক শিশুসহ দুইজন গুরুতর আহত হয়েছে। আহতদের চিকিৎসার জন্য মানিকগঞ্জ সদর হাসপাতালে নিয়ে এলে তাদের উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা পঙ্গু হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

মঙ্গলবার (০২ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যার পরে ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের বাথুলি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন- মানিকগঞ্জ জেলার সাটুরিয়া উপজেলার সাটুরিয়া গ্রামের আব্দুর রশিদের ছেলে জাহানারা বেগম (৫৫) ও তার ছেলে শরিফুল ইসলামের স্ত্রী মরিয়ম বেগম (২০)।

এ ঘটনায় আহত হয়েছেন মরিয়মের দুই বছর বয়সী ছেলে আবু বক্কর ও ধামরাই উপজেলার বালিথা গ্রামের মৃত মমিন উদ্দিনের ছেলে আব্দুর রহিম (৫০)।

ফায়ার সার্ভিস ও হাইওয়ে পুলিশ জানায়, বিকেলে নরসিংদী থেকে কাপড় বোঝাই বাসটি (সিলেট জ ১১-০২৬৬) কুষ্টিয়া যাচ্ছিল। দ্রুতগতির আরিচামুখী বাসটি ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের বাথুলি এলাকায় পৌছে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলে। পরে বাসটি মহাসড়কের পাশে ফুটওভার ব্রিজের নিচের সিঁড়ির উপরে উঠে পড়ে। এসময় সড়কে অপেক্ষমান জাহানারা, তার ছেলের স্ত্রী মরিয়ম ও ছোট শিশু বক্করসহ অপরজনকে চাপা দেয়। ঘটনাস্থলেই মারা যান জাহানারা। গুরুতর আহত অবস্থায় অপর তিনজনকে মানিকগঞ্জ সদর হাসপাতালে পাঠানো হলে কতর্ব্যরত চিকিৎসক মরিয়মকে মৃত ঘোষণা করেন। আহত শিশুসহ অপর দুইজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য রাজধানীর পঙ্গু হাসপাতালে নেয়া হয়েছে। এ ঘটনায় বাসের চালক ও সহকারী পলাতক রয়েছে।

গোলরা হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুল ইসলাম বলেন, নিহত দুইজনের মরদেহ মানিকগঞ্জ সদর হাসপাতালে রয়েছে। তাদের পরিবারের সদস্যদের খবর দেয়া হয়েছে। তারা আসলে এ বিষয়ে আইনগত পদক্ষেপ নেয়া হবে। এছাড়া পলাতক পরিবহনের চালক ও হেলপারকে আটকের চেষ্টা চলছে বলেও জানান তিনি।

Zoom Bangla News
Zoom Bangla News
inews.zoombangla.com
Follow

Follow Zoom Bangla News On Google

Open the Google follow page and tap the checkmark option to receive more updates from Zoom Bangla News in your Google news feed.

Follow Zoom Bangla News On Google

Saiful Islam is a journalist at Zoom Bangla News with seven years of experience in news writing and editorial work. He contributes to producing accurate, well-structured, and reader-focused content across digital platforms. His work reflects a strong commitment to editorial standards and responsible journalism.