ডিজিটাল যুগে তথ্যকে সবচেয়ে মূল্যবান সম্পদ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। আর এই তথ্যের নিরাপত্তা নিয়েই সবসময় সক্রিয় থাকে সাইবার অপরাধীরা। অনেক সময় ব্যবহারকারীরা বুঝতেই পারেন না, কখন তাদের ব্যক্তিগত ই-মেইল, ছবি বা বার্তা হ্যাকারদের হাতে চলে যাচ্ছে।

এই ঝুঁকি কমাতে দীর্ঘদিন ধরে অনেকেই হোয়াটসঅ্যাপের মতো প্ল্যাটফর্মকে তুলনামূলকভাবে নিরাপদ মনে করে আসছেন। কারণ এসব অ্যাপে এন্ড-টু-এন্ড এনক্রিপশন ব্যবস্থার মাধ্যমে বার্তা ও কল শুধু প্রেরক ও প্রাপকের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে।
এবার একই ধরনের উন্নত নিরাপত্তা ব্যবস্থা যুক্ত করেছে জি-মেইল। গুগলের নতুন এই ফিচারের মাধ্যমে ই-মেইল আরও বেশি সুরক্ষিত থাকবে, ফলে গুগল নিজেও মেইলের কনটেন্ট দেখতে পারবে না।
কীভাবে কাজ করে ফিচারটি
সাধারণত ই-মেইল পাঠানোর সময় তা গুগলের সার্ভারের মাধ্যমে প্রক্রিয়াজাত হয়। কিন্তু নতুন এন্ড-টু-এন্ড এনক্রিপশন প্রযুক্তিতে ই-মেইলটি পাঠানোর আগেই এমনভাবে এনক্রিপ্ট করা হয় যে, সার্ভারে গেলেও তা আর পড়ার উপযোগী থাকে না—বরং এটি একটি কোডে পরিণত হয়।
কারা ব্যবহার করতে পারবেন
এই সুবিধা গুগলের ক্লায়েন্ট-সাইড এনক্রিপশন প্রযুক্তির ওপর ভিত্তি করে তৈরি। তবে এটি বর্তমানে সব ব্যবহারকারীর জন্য উন্মুক্ত নয়। ব্যক্তিগত জি-মেইল অ্যাকাউন্টে এখনো এই ফিচার চালু হয়নি। মূলত কর্পোরেট বা বিজনেস ব্যবহারকারীরাই এটি ব্যবহার করতে পারছেন।
কীভাবে চালু করবেন
এই ফিচার ব্যবহারের জন্য কিছু শর্ত পূরণ করতে হয়—
-গুগল ওয়ার্কস্পেস এন্টারপ্রাইজ প্লাস লাইসেন্স থাকতে হবে
-অ্যাশিওর কন্ট্রোলস বা অ্যাশিওর কন্ট্রোলস প্লাস অ্যাড-অন সক্রিয় থাকতে হবে
-গুগল অ্যাডমিন কনসোল থেকে অনুমোদন নিতে হবে
সবকিছু ঠিকভাবে সেটআপ করা থাকলে মেইল লেখার সময় একটি ‘লক’ আইকন দেখা যাবে। সেখানে ক্লিক করে অতিরিক্ত এনক্রিপশন চালু করলে ই-মেইলটি সম্পূর্ণভাবে সুরক্ষিত হয়ে যাবে।
সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।


