সাইফুল ইসলাম : দেশব্যাপী হাম-রুবেলার প্রাদুর্ভাবের প্রেক্ষিতে জরুরি এমআর (মিজলস-রুবেলা) টিকাদান ক্যাম্পেইন বাস্তবায়ন উপলক্ষে মানিকগঞ্জে একটি সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রবিবার (১৯ এপ্রিল) মানিকগঞ্জ সিভিল সার্জনের সম্মেলন কক্ষে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা-এর প্রতিনিধি ডা. ইশিতা ফারহানা হাম-রুবেলা প্রতিরোধে টিকাদান কর্মসূচির গুরুত্ব তুলে ধরেন। তিনি বলেন, শিশুদের মারাত্মক সংক্রামক রোগ থেকে সুরক্ষিত রাখতে এ ধরনের ক্যাম্পেইন অত্যন্ত জরুরি। তিনি আরও জানান, টিকাদান কার্যক্রমের উদ্দেশ্য, লক্ষ্যভিত্তিক শিশুদের তালিকা, সময়সূচি, কেন্দ্র নির্ধারণ, টিকার কার্যকারিতা ও নিরাপত্তা বিষয়ে বিস্তারিত পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, আগামী ২০ এপ্রিল থেকে শুরু হওয়া এই ক্যাম্পেইনের আওতায় মানিকগঞ্জের সাতটি উপজেলা ও একটি পৌরসভায় মোট ১ লাখ ৪৪ হাজার ৮২৩ জন শিশুকে টিকা দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।
এছাড়া, অনলাইন রেজিস্ট্রেশনের পাশাপাশি অফলাইন রেজিস্ট্রেশনের মাধ্যমেও শিশুদের নিবন্ধন করা যাবে। নিবন্ধিত শিশুদের জন্য নির্ধারিত ৮টি টিকাদান কেন্দ্রে ১১ দিনব্যাপী এ কার্যক্রম পরিচালিত হবে।
ডা. ইশিতা ফারহানা বলেন, ৫ বছরের কম বয়সী শিশুদের মধ্যে হাম রোগে আক্রান্তের হার বেশি, যা মোট আক্রান্তের প্রায় ৩৩ শতাংশ। তাই এ বয়সী শিশুদের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে টিকাদান করা হবে।
সিভিল সার্জন ডা. মো. মোফাখখারুল ইসলাম জানান, পুরো জেলায় টিকাদান কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য মাইক্রোপ্ল্যান প্রস্তুত করা হয়েছে। কর্মসূচি সফল করতে মাইকিংসহ বিভিন্ন মাধ্যমে প্রচারণা চালানো হচ্ছে।
হাম-রুবেলার টিকার কোন পার্শ প্রতিক্রিয়া নেই জানিয়ে তিনি সাংবাদিক, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ, ইমাম ও ধর্মীয় নেতা, শিক্ষকসহ সচেতন নাগরিকদের এ কর্মসূচি বাস্তবায়নে সহযোগিতা করার আহ্বান জানান।
এ সময় জেলার বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।
স্বাস্থ্য বিভাগ আশা করছে, এই ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে জেলার অধিকাংশ শিশুকে হাম ও রুবেলা রোগের ঝুঁকি থেকে সুরক্ষার আওতায় আনা সম্ভব হবে।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।


