জামালপুরে শ্রমিক দল ও মৎসজীবী দলের দুই নেতার মধ্যে ফোনালাপের একটি অডিও ক্লিপ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার জন্ম ।

রবিবার (৩ মে) ‘ইকতিয়ার হোসেন সাগর’ নামের একটি ফেসবুক আইডি থেকে প্রায় এক মিনিটের ওই অডিওটি প্রকাশের পর বিষয়টি নিয়ে জেলাজুড়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা যায়।
ভাইরাল হওয়া অডিওতে কথোপকথনের শুরুতে জামালপুর জেলা মৎসজীবী দলের সভাপতি আব্দুল হালিমকে সালাম জানাতে শোনা যায়। জবাবে জেলা শ্রমিকদলের সভাপতি শেখ মো. আব্দুস সোবহান ক্ষোভ প্রকাশ করে তাকে ‘চোর’ বলে আখ্যায়িত করেন। তিনি অভিযোগ করেন, অন্যদের জিনিস চুরি করে অন্যত্র সরিয়ে রাখা হয়েছে এবং এ বিষয়ে একাধিকবার ফোন করেও সাড়া পাওয়া যায়নি।
অডিওতে আব্দুল হালিম অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ‘ভাই, কারে বলতাছেন? আপনার সঙ্গে তো আমার এই ধরনের সম্পর্ক না, আপনি ভালোভাবে কথা বলেন।’ জবাবে আব্দুস সোবহান ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘না না আমি কোনো সম্পর্ক মারি আমি, আমার হাজার হাজার নেতাকর্মী সামনে অপমান করে সম্পর্ক দেখাও— সম্পর্কের আমি…….। তুই চুরি করছোস, তুই আমারে বলে চুরি করলি না কেন।’
পরবর্তীতে হালিম বলেন, ‘আরে ভাই এটা আমিনুল আর শাহিন মাস্টারকে বলেন, আমারে কেন।’
এদিকে অডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর স্থানীয়দের মধ্যে নানা ধরনের প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। এ বিষয়ে যোগাযোগ করা হলে আব্দুল হালিম বলেন, ‘ওই কল রেকর্ড নিয়ে আমার আর কিছু বলার নেই। রেকর্ডের ভেতরে যা আছে, সেটাই আমার বক্তব্য।’
আরও পড়ুন : ২০২৬ সালে যে ৮ দক্ষতা আপনাকে সফলতা এনে দেবে
অন্যদিকে শেখ মো. আব্দুস সোবহান দাবি করেন, বালু ঘাটের ইজারা সংক্রান্ত বিড জমা দেওয়া নিয়ে বিরোধের জেরে এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। তিনি বলেন, ‘আমরা সবাই মিলে হালিমকে বিড ড্রপ করতে বলেছিলাম। কিন্তু সে আমাদের বিডগুলো লুকিয়ে রেখে নিজের মতো করে জমা দিয়েছে। এ কারণেই ক্ষোভ থেকে এমন কথা হয়েছে। কথোপকথনটি গত মাসের ১৯ তারিখের।’
সূত্র ও ছবি : এশিয়া পোস্ট
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।


