
শনিবার বিকেল ৫টার দিকে স্থানীয় সরকার শাখার উপ-পরিচালক শফিকুল ইসলাম এর সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। গত বৃহস্পতিবার স্থানীয় সরকার বিভাগের ওয়েবসাইটে সংশ্লিষ্ট উপ-সচিব আবু জাফর রিপন স্বাক্ষরিত একটি প্রজ্ঞাপনও জারি করা হয়েছে।
প্রজ্ঞাপন সূত্রে জানা যায়, ইউপি চেয়ারম্যান জাহিদুল ইসলামের বিরুদ্ধে পূর্ব আঠালিয়া মাস্তানের মসজিদ থেকে বাচ্চু খানের জমি পর্যন্ত রাস্তার কাজে অনিয়ম, জমি আছে ঘর নেই প্রকল্পের আওতায় তার স্ত্রীর নামে একই পরিবারে দুটি ঘর বরাদ্দ এবং সরকারিভাবে বরাদ্দকৃত গভীর নলকূপ তার দুই চাচার বাড়িতে স্থাপন করার অভিযোগ তদন্তে প্রমাণিত হয়েছে।
এ ব্যাপারে ইউপি চেয়ারম্যান জাহিদুল ইসলাম জানান, স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনাসহ অন্যান্য কার্যক্রমের ওপর আমি ৫ বার শ্রেষ্ঠ ইউপি চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছি। মাস্তানের মসজিদ থেকে বাচ্চু খানের জমি পর্যন্ত আমার কোনো প্রকল্পই ছিল না। আমার স্ত্রীর নামের ঘর বরাদ্দের অভিযোগটিও অসত্য। যথাযথ নিয়ম মেনেই দুই চাচার বাড়িতে গভীর নলকূপ স্থাপন করা হয়েছে। রাজনৈতিকভাবে আমাকে হেয় প্রতিপন্ন করার জন্যই একটি মহল আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ দিয়েছে।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



