জুমবাংলা ডেস্ক : শরীয়তপুর সদর উপজেলার শৌলপাড়া এলাকায় দুপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এলাকাবাসী বলছে, আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ হয়েছে বিএনপির দুপক্ষে। এতে অন্তত ৮ জন আহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার রাত ৮টার দিকে সদর উপজেলার শৌলপাড়া বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

Advertisement

এ ঘটনায় আহত হয়েছেন শৌলপাড়া ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য লিয়াকত সরদার, আব্দুর রশিদ সরদার, দোলন সরদার, আব্দুর রব সরদার ও ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক আকতার হাওলাদার।

স্থানীয় ও পুলিশ জানায়, সদর উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আল ইসলামের সাথে আধিপত্য বিস্তার ও জমি সংক্রান্ত ঘটনায় দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় বিএনপির সমর্থক রফিক হাওলাদারের বিরোধ। সম্প্রতি একটি জমি নিয়ে বিরোধ তৈরি হলে বৃহস্পতিবার রাতে দুপক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়ায়। এতে উভয়পক্ষের কমপক্ষে ৮ জন আহত হয়। পরে আহতদের উদ্ধার করে সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে পুলিশ।

এ নিয়ে আল ইসলাম বলেন, ‘রফিক হাওলাদারের সাথে আমাদের জমি নিয়ে বিরোধ। এই বিষয় নিয়ে একাধিকবার দরবার সালিশ হয়েছে। গতকাল আমাদের বাড়িতে বসার কথা ছিল। কিন্তু ওরা না এসে আমাদের পক্ষের বাদশা হাওলাদার ও মনির হাওলাদাকে মেরে আহত করে।’

অপর পক্ষের বিএনপির সমর্থক হৃদয় হাওলাদার বলেন, ‘লিয়াকত হাওলাদারের লোকজন আমাদের ওপর অতর্কিত হামলা করে। তারা ছাত্রদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক আকতার হাওলাদারকে কুপিয়ে গুরুতর জখম করে। তদন্ত করলেই সকল ঘটনা বেড়িয়ে আসবে।’

পালং মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মেজবাহ উদ্দিন আহমেদ বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। আধিপত্য বিস্তার নাকি দলীয় কোন্দল তা তদন্ত করে বলা যাবে।

Zoom Bangla News
Zoom Bangla News
inews.zoombangla.com
Follow

Follow Zoom Bangla News On Google

Open the Google follow page and tap the checkmark option to receive more updates from Zoom Bangla News in your Google news feed.

Follow Zoom Bangla News On Google

Saiful Islam is a journalist at Zoom Bangla News with seven years of experience in news writing and editorial work. He contributes to producing accurate, well-structured, and reader-focused content across digital platforms. His work reflects a strong commitment to editorial standards and responsible journalism.