
আইনের সংঘাতে জড়িয়ে পড়া শিশুদের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি গ্রহণে দেশে কোন সুনির্দিষ্ট আইন নেই। আগে শিশুদের বিচার হতো ১৯৭৪ এর শিশু আইন অনুযায়ী। ২০১৩ সালে হয় নতুন শিশু আইন। এই আইনে শিশুর বয়স, জবানবন্দি গ্রহণ, দণ্ড ও শিশু শোধানাগারসহ বিশেষ বেঞ্চ গঠন করা হয়। যা নিয়ে পক্ষে-বিপক্ষে রায় দেন দেশের সর্বোচ্চ আদালত। আর সেজন্যই ফুল বেঞ্চ গঠন করে দেন প্রধান বিচারপতি।
সেই বেঞ্চেই শিশুদের নিয়ে যুগান্তকারী রায় দিয়েছেন। রায়ের তিনটি সিদ্ধান্ত হলো- শিশুর স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দির কোন সাক্ষ্যগত মূল্য নেই। স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি কোন শিশুকে সাজা দেয়ার ক্ষেত্রে ভিত্তি হিসেবে ব্যবহার করা যাবে না। অপরাধ যাই হোক না কেন একজন শিশুকে ১০ বছরের বেশী সাজা নয়।
ভারত, যুক্তরাজ্যের উচ্চ আদালতের নজির বিবেচনায় নিয়েই শিশুদের নিয়ে এমন রায় দিয়েছেন দেশের সর্বোচ্চ আদালত। সংবিধান বিশেষজ্ঞ শাহদীন মালিক বলছেন, শিশুদের বিচারের ক্ষেত্রে নিম্ন আদালত এই রায় বিবেচনায় নেবেন।
আদালত তার রায়ের পর্যবেক্ষণে বলেছেন, শিশুরা আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে পারে না। তাই অপরাধকে নিজেদের ঘাড়ে নিয়ে নেয়।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



