ময়মনসিংহের ভালুকায় বিএনপির কার্যালয় খোলা নিয়ে দ্বন্দ্বের জের ধরে বাবাকে গুলি করেছেন ছেলে। দুজনকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) বিকেলে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে তাদেরকে বহিষ্কারের কথা জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, দলের মধ্যে সন্ত্রাস, হানাহানি ও রক্তপাতের ঘটনায় জড়িত থাকার সুস্পষ্ট অভিযোগে ময়মনসিংহ জেলার ভালুকা উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য ও জামিরদিয়া ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক সভাপতি মো. খোকা মিয়া এবং সাবেক ছাত্রনেতা ও বিএনপির কর্মী তোফায়েল আহমেদ রানাকে বিএনপির প্রাথমিক সদস্যসহ সকল পর্যায়ের দলীয় পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
রবিবার (১২ এপ্রিল) দুপুর আড়াইটার দিকে ভালুকা উপজেলার জামিরদিয়া নারিশের গেট এলাকায় বাবা ও ছেলের পক্ষের লোকদের মধ্যে সংঘর্ষ ও গোলাগুলি হয়। এ ঘটনায় বাবা খোকা মিয়াসহ দুজন আহত হন।
দলীয় সূত্র জানিয়েছে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খোকা মিয়া ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী ফখর উদ্দিন আহমেদ বাচ্চুর সমর্থক ছিলেন। তার ছেলে তোফায়েল আহমেদ রানা ছিলেন স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. মোর্শেদ আলমের সমর্থক। এ নিয়ে বাবা ও ছেলের মাঝে বিরোধ চলছিল।
নির্বাচনের পর থেকে বন্ধ থাকা নারিশের মোড়ে অবস্থিত স্থানীয় বিএনপি কার্যালয় রবিবার দুপুর আড়াইটার খুলে বসেন তোফায়েল আহমেদ রানা। তার বাবা কার্যালয় বন্ধ করতে বলেন। এ নিযে বাবা ও ছেলের মধ্যে বাকবিতণ্ডার একপর্যায়ে সংঘর্ষ শুরু হয়। এ সময় তোফায়েল আহমেদ রানা নিজের বাবাকে লক্ষ্য করে গুলি করেন ও তার সঙ্গীরা খোকা মিয়ার সঙ্গে আসা লোকজনকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে আহত করেন। এ সময় দলীয় কার্যালয়ের ভিতরে থাকা চেয়ার-টেবিল ভাঙচুর করা হয়।
আরও পড়ুন : ২০২৬ সালে যে ৮ দক্ষতা আপনাকে সফলতা এনে দেবে
পরে স্থানীয়রা আহত দুজনকে উদ্ধার করে ভালুকা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠান। গুলিবিদ্ধ খোকা মিয়ার শারীরিক অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করেন চিকিৎসক।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।


