পাবনা সদর উপজেলায় এক মর্মান্তিক ঘটনায় পদ্মা নদী থেকে নবম শ্রেণির এক স্কুলছাত্রীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহত রিয়া (১৫) স্থানীয় একটি বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির ছাত্রী ছিল।

পুলিশের দাবি, প্রেমের সম্পর্কের জেরে কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে তাকে ধর্ষণের পর শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়। পরে হত্যাকাণ্ডের আলামত গোপন করতে মরদেহ বস্তায় ভরে পদ্মা নদীতে ফেলে দেওয়া হয়।
নিহত রিয়া (১৫) পাবনার ভাড়ারা ইউনিয়নের পূর্ব রাঘপুর এলাকার প্রামাণিকের মেয়ে এবং মাওলানা কসিম উদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয়ের ৯ম শ্রেণীর ছাত্রী।
রেজিনুর রহমান জানান, আজ সকালে নিহতের মরদেহ উদ্ধারের পর হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত প্রধান অভিযুক্তসহ ৩ জনকে আটক করা হয়েছে। এখনও ভুক্তভোগীর পরিবারের থেকে মামলা দেয়া হয়নি। লিখিত এজাহার দেয়ার সঙ্গে সঙ্গে মামলা গ্রহণ করা হবে। ঘটনাটির আরও কিছু বিষয় পরবর্তী তদন্ত কার্যক্রমের পর জানানো হবে।
সীমান্ত হত্যার দায়ে ভারতকে আন্তর্জাতিক বিচারের মুখোমুখি করতে হবে: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী
আটককৃতরা হলেন- প্রধান অভিযুক্ত পূর্ব রাঘপুর এলাকার মৃত কাশেম উদ্দিনের ছেলে নাইম, একই এলাকার শফিক শেখের ছেলে ইয়াসিন শেখ এবং শিমুল প্রামাণিকের ছেলে তুহিন প্রামাণিক।
এর আগে বুধবার সকালে পাবনা সদরের ভাড়ারা ইউনিয়নের পিরপুরে পদ্মার চরে কৃষকেরা কাজে যাওয়ার সময় নদীর তীরে ঠেকানো নৌকার পাশে একটি বস্তা ভাসতে দেখতে পায়। একপর্যায়ে বস্তা খুলেই কিশোরীর মরদেহ দেখতে পান স্থানীয়রা। পরে খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



