
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম আনন্দবাজার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কয়েকদিন আগে ওই শিক্ষিকার বাড়িতে পড়তে গিয়েছিল ছয় বছরের ওই শিশু ও তার তিন বছরের বোন। সেখানে শিক্ষিকা তাদের নগ্ন করে গোপনাঙ্গে পেন্সিল ঢুকিয়ে দেন। আবার সেই ঘটনার ভিডিও করেন তিনি নিজেই। তারপর সেই ভিডিও নিজের প্রেমিককে পাঠিয়ে দেন।
টিউশন থেকে বাড়ি ফিরে যৌনাঙ্গে যন্ত্রণা হচ্ছে বলে জানায় তিন বছরের শিশুটি। তখনই তাকে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে শিশুটির মা। সেই সময়ই শিক্ষিকার পেন্সিল ঢোকানোর কথা বলে দেয় সে। এরপর ছয় বছরের শিশুটিও পুরো ঘটনার কথা তার মাকে জানায়। বিষয়টি জানার পরই শিক্ষিকার বাড়িতে যান ওই শিশুর পরিবারের লোকজন। অভিযুক্ত শিক্ষিকাকে মারধর করে পুলিশের হাতে তুলে দেন।
মহু থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) অভয় নিমা বলেন, ওই শিশুরা জানিয়েছ, টিউশন দিদি তাদের গোপনাঙ্গে পেন্সিল ঢুকিয়ে দেন। তারা চিৎকার করার পর আবার পড়াতে শুরু করে দেন অভিযুক্ত শিক্ষিকা। ওই শিক্ষিকাকে গ্রেপ্তার করে তার বিরুদ্ধে পকসো ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। আমরা ওই শিক্ষিকার প্রেমিককেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



