
মৃ’ত্যুর আগে ঐ ছাত্রী একটি চিরকুট লিখেছে। তাতে লেখা রয়েছে, ‘আমাকে ক্ষমা কর মা। আমি আর সইতে পারছি না। আমি জানি অনেকের সাথে আমি খা’রাপ ব্যবহার করেছি। পারলে আমাকে ক্ষমা করে দিও।’ বন্ধু-বান্ধবীদের উদ্দেশ্যে লিখেছেন, ‘তোরা ভালো থাকিস। আমি ওপারে চলে গেলাম।’ তাহমিনার মামা আব্দুস সোবহান মিয়া জানান, তাহমিনার মোবাইল থেকে রেদুয়ানের সঙ্গে তার একটি ভিডিও উ’দ্ধার করেছে পু’লিশ।
তাহমিনার বান্ধবীরা জানায়, রেদুয়ান রাস্তাঘাটে তাহমিনাকে মানসিক নি’র্যাতন করত। এক পর্যায়ে বিয়ের চাপ দিলে ন’গ্ন ছবি মোবাইলে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দেন তিনি। সাটুরিয়া থানার ওসি মো. মতিয়ার রহমান মিয়া জানান, ছাত্রীর মোবাইল থেকে ভিডিও উ’দ্ধার করা হয়েছে। তা পর্যালোচনা করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



