
উদ্ধারের পর সুমাইয়াকে নড়িয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়। নড়িয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডা. এসএম তৌহিদুল বাসার বলেন, সুমাইয়া যখন হাসপাতালে আসেন তখন রাত ১১টা। তখন তার প্রচুর শ্বাসকষ্ট হচ্ছিল এবং প্রায় অজ্ঞান ছিল। গলা দিয়ে গড়গড় শব্দ হচ্ছিল। গলায় হালকা দাগ ছিল। তখন অক্সিজেন দিয়ে চিকিৎসা দিচ্ছিলাম। তখন যারা তার সাথে আসছে তাদের জিজ্ঞাসা করলাম রোগীর আপন লোক কে? কিন্তু দেখলাম কেউ আপন না, সবাই দূর সম্পর্কের লোকজন। তারা চারদিকে তাকাচ্ছিল। আমার সাথে কোন কথা বলেনি। আপন কেউ না আসায় আমার ধারণা হলো এটা আত্মহত্যা, নাকি তাকে আত্মহত্যার চেষ্টা করানো হয়েছিল। রোগীর অবস্থা খারাপ দেখে এ্যাম্বুলেন্স ডেকে এনে শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে রেফার্ড করি। পথেই রোগী মারা যান।
সুমাইয়ার ভাই রায়হান শেখ বলেন, দুলাভাই জুলহাসের অন্য একটি মেয়ের সাথে পরকীয়া সম্পর্ক ছিল। সেটা সুমাইয়া আপু জেনে যায়। ননদ আলো বেগম পরকীয়া করতো তাও যেনে গেছে আপু। এগুলো নিয়েও আপুকে নির্যাতন করতো তারা। তাছাড়া যৌতুকের টাকা দিতে পারি নাই তাই বোনটাকে হত্যা করলো তারা।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



