
প্রবীণ নারী জর্জেট লেপলের ৫০ বছরের প্রতিবেশী মুহাম্মাদ ও তার পরিবার। জর্জেটের মেয়ে ছাড়া পরিবারের কোনো সদস্য জীবিত না থাকার কারণে তিনি মুহাম্মাদের স্ত্রী ও তার পরিবারের সঙ্গে বসবাস শুরু করেন।
মুহাম্মাদ ও তার স্ত্রীর এক ছেলে ও ২ মেয়ের ছোট্ট পরিবারের সঙ্গী হলেন প্রবীণ এ নারী। প্রতিবেশী মুহাম্মাদের মা বেঁচে নেই। মাকে হারিয়ে মুহাম্মাদ পেয়েছেন নতুন মা।
জর্জেট লেপল মুহাম্মাদের পরিবারের সঙ্গে থাকার সময় কাছ থেকে দেখেন তাদের প্রার্থনা ও ইসলাম রীতিনীতি। এগুলোই তাকে ইসলাম গ্রহণে অনুপ্রাণিত করে তোলে।
জর্জেট লেপল লক্ষ্য করেন, মুসলিম পরিবারের সদস্যরা একে অপরের সঙ্গে কীভাবে কথা বলে, তার খোঁজ-খবর কীভাবে রাখে। তাদের পাস্পরিক সহযোগিতা, সেবা-যত্ন ও প্রার্থনা দেখে তার খুবই ভালো লাগছিলো।
জর্জেট পেপল বলেন, ‘তার নিজের মেয়ে রয়েছে কিন্তু সে মেয়ে তাকে ডাকে না, তার খোঁজ-খবরও রাখে না। অথচ মুহাম্মাদের পরিবার তার সঙ্গে সুন্দর আচরণ করে এবং সার্বক্ষণিক যত্ন নেয়। তাদের এ সদ্ব্যহার তাকে ইসলামের প্রতি আকৃষ্ট করে তোলে।’
গত রমজান মাসে জর্জেট পেপল এই মুসলিম পরিবারের সঙ্গেই মরক্কো ভ্রমণ করেন। সেখানে তিনি অনেক লোকের এক সঙ্গে রোজা (উপবাস) পালন করতে দেখেন এবং একে অপরের যত্ন ও মেহমানদারি করতে দেখেন।
মরক্কো থাকাকালে তিনি এ চিন্তা করে হতবাক হয়ে যান যে, জীবনের শেষ সময়ে এসে তিনি ইসলামের সৌন্দর্য দেখতে পেলেন। তবে জর্জেট পেপল জীবনের শেষ সময়ে এসে ইসলামের সন্ধান পেয়েও আল্লাহর কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন।
তিনি মুহাম্মাদের পরিবারের সঙ্গে মরক্কো থেকে ব্রাসেলসে ফিরে আসেন। তিনি ব্রাসেলস মসজিদে এসে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেন এবং নিজের নাম পরিবর্তন করেন। নতুন নাম রাখেন ‘নূর ইসলাম’।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



