
এ ঘটনায় পুলিশ রাতেই পরকীয়া প্রেমিকা শেফালী আক্তারকে (৪০) আটক করেছে পুলিশ। আজ মঙ্গলবার মামলার পর সকালে নিহতের ছোট ভাই এমদাদুল হককেও আটক করে পুলিশ।
স্থানীয় সূত্র, নিহতের পরিবার ও পুলিশ জানায়, উপজেলার বোকাইনগর ইউনিয়নের দাড়িয়াপুর গ্রামের আব্দুস সালামের স্ত্রী শেফালি আক্তারের সাথে দীর্ঘদিন ধরে পরকীয়া করে আসছিল এমদাদুল হক (২৫)। বিভিন্ন সময় নালিস-সালিসের পরও পরকীয়া থেকে বিরত থাকেনি দুইজন। এ নিয়ে উভয় পরিবারের মাঝে একাধিকবার সংঘর্ষও হয়। গত সোমবার রাত ১টার পর এমদাদুল হক চুপিসারে শেফালির ঘরে প্রবেশ করে। এ সময় শেফালির স্বামী চোর চোর বলে চিৎকার দিলে বাড়ির লোকজন এসে এমদাদুলকে চিহ্নিত করে ধাওয়া দেয়।
পরে এমদাদুলের বাড়িতে গিয়ে হামলা চালিয়ে ঘরবাড়ি ভাঙচুর চালায়। এ সময় প্রতিহত করতে গেলে এমদাদুল হকের বড় ভাই নাজিম উদ্দিন কমলকে ব্যাপক মারধরসহ কুপিয়ে মাটিতে ফেলে দেয়। এ ঘটনা দেখে তাঁর স্ত্রী সালেমা আক্তার(৫২), দুই মেয়ে সুবর্ণা আক্তার (১৯), স্বর্ণা আক্তার (১৪) ও আরেক ছোট ভাই নজরুল ইসলাম (২৮) এগিয়ে গেলে তাঁদেরকেও মারধরসহ দেশীয় অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে। পরে তাঁদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়ার পর নাজিম উদ্দিন কমল মারা যান।
গৌরীপুর থানার ওসি মো. বোরহান উদ্দিন জানান, এ হামলার ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে শেফালিকে আক্তারকে রাতেই গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অপরদিকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য এমদাদুলকে আটক করা হয়েছে।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



