
এ ব্যাপারে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, রক্তাক্ত পলিথিন হাতে থাকা রমজানের গতিবিধি সন্দেহজনক হওয়ায় এলাকাবাসী ৯৯৯ এ ফোন দিলে মিরপুর থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে রমজানকে আটক করে। পুলিশ রমজানের হাতে থাকা পলিথিনের ভেতর থেকে নবজাতকের লাশ উদ্ধার করে।
এদিকে, আটক যুবক পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে জানায়, সে ওই ক্লিনিকে এক বছর আগে কাজ করতো। দুপুরে ক্লিনিকের ম্যানেজার মামুন ফোন করে তাকে ডেকে নবজাতকটি ফেলে দিতে বলেন। এই কাজের জন্য ৩০০ টাকা দেওয়ার চুক্তিও করেন ম্যানেজার।
মিরপুর থানার এস আই শিপন জানান, এ ঘটনায় ক্লিনিকের মালিক জয়নাল, নার্স লিপি, ম্যানেজার মামুন ও আটক রমজানের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। ইতোমধ্যেই রমজানকে ওই মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়েছে। বাকিদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে। তাদের গ্রেফতারে পর নবজাতকের বিষয়ে বিস্তারিত জানা যাবে।
কয়েকটি সূত্র জানিয়েছে, এর আগেও মিরপুরের ওই ক্লিনিকে দুই বার অভিযান চালিয়ে ভুয়া ডাক্তার গ্রেফাতর করেছিল র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)। সূত্র : সারাবাংলা
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



