
সুমন বিয়ে করেন ২০০৯ সালে। নরসিংদী শহরের ভাগদী এলাকার সাইফুল বারীর মেয়ে পাপিয়ার সঙ্গে দীর্ঘদিন প্রেমের সম্পর্কে আবদ্ধ থাকার পর তাকে বিয়ে করেন সুমন। ২০১২ সালে বিয়ের ৩ বছরের মাথায় এ দম্পতি স’ন্ত্রা’সী হা’মলার শি’কার হন। সেই হা’মলায় পাপিয়া গু’লিবি’দ্ধ হন। পরে তারা ঢাকায় চলে এলে নরসিংদী থেকে অনেকটা বি’চ্ছি’ন্ন হয়ে পড়েন।
এ সময় ঢাকাকেন্দ্রিক নেতাদের সঙ্গে তাদের ঘনি’ষ্ঠতা তৈরি হয়। ২০১৪ সালে নরসিংদী জেলা যুব মহিলা লীগের সাধারণ সম্পাদকের পদ বা’গিয়ে আলো’চনায় আসেন পাপিয়া। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর থেকে দুই ধারায় বিভ’ক্ত নরসিংদী জেলা আওয়ামী লীগের নজরুল ইসলাম ব’লয়ে যোগ দেন সুমন ও পাপিয়া। জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সংসদ সদস্য (এমপি) নজরুল ইসলামের পক্ষে চলতে থাকে তাদের ব্যা’পক সমর্থনের প্রদর্শনী।
কিছুদিনের মধ্যে তারা নরসিংদীতে গড়ে তোলেন ক্যা’ডার বাহিনী কিউঅ্যান্ডসি। বাহিনীর প্রত্যেকের হাতে রয়েছে কিউঅ্যান্ডসির ট্যাটু। বাহিনীর সদস্যদের মোটরসাইকেল র’ক্ষ’ণাবেক্ষণ ও তাদের নিয়মিত আড্ডার জন্য ‘কেএমসি কার ওয়াশ অ্যান্ড অটো সলিউশন’ শীর্ষক প্রতিষ্ঠান খোলেন পাপিয়া। তবে আগে থেকেই নরসিংদী সরকারি কলেজে পড়ার সময় ছাত্রলীগের রাজনীতিতে জড়ান সুমন।
রাজনীতির পাশাপাশি শুরু হয় চাঁ’দাবা’জি ও স’ন্ত্রা’সী ক’র্মকা’ণ্ড। তা ছাড়া অ’স্ত্র চালনার নেশা থেকে শ্যুটিং কোর্স করেন তিনি। ২০০১ সালে নরসিংদী পৌরসভার কমিশনার মানিক মিয়াকে যাত্রা প্যান্ডেলে গিয়ে হ’ত্যার অ’ভিযো’গ রয়েছে তার বি’রু’দ্ধে। এসং’ক্রা’ন্ত মামলার এজা’হারভু’ক্ত আসামি তিনি। এর মধ্যে রাজনৈতিক নেতাদের সঙ্গে ঘনি’ষ্ঠতার সূত্রে একসময় তিনি নরসিংদী শহর ছাত্রলীগের আহ্বায়ক নির্বাচিত হন।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



