
তিনি কথা বলতেন কম। কিন্তু তা ছিল ব্যাপক অর্থবোধক। তাইতো মানুষ কথা বলবে কম, কিন্তু কথার অর্থ হবে আবেদনমূলক, বোধগম্য ও সুন্দর। যে কথা শ্রুতি মধুর নয় এবং জড়তায় একাকার, সেকথা মানুষ পছন্দ করবে না। বিশ্বনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সুন্দর ও গোছানোভাবে ধীরে ধীরে কথা বলতেন। কথায় ছিল না কোনো তাড়াহুড়ো।
হাদিসে পাকে মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কথা বলার ধরনও ওঠে এসেছে। যা উম্মতের জন্য শিক্ষণীয় ও পালনীয়। আর তাহলো-
হযরত আবু হুরায়রা (রা.) বর্ণনা করেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, আমাকে ‘জাওয়ামিউল কালিমসহ (সুসংক্ষিপ্ত ও মর্মসমৃদ্ধ বাণীসহ) প্রেরণ করা হয়েছে এবং আমাকে প্রভাব দিয়ে সাহায্য করা হয়েছে।
একবার আমি ঘুমন্ত অবস্থায় দেখলাম, পৃথিবীর ভান্ডারগুলোর চাবি আমাকে দেওয়া হয়েছে এবং তা আমার হাতে রেখে দেওয়া হয়েছে।’ (বুখারি)। ইমাম যুহরি রহ. হাদিসটি প্রসঙ্গে বলেন, ‘রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এমন সংক্ষিপ্ত কথা বলতেন, যা শব্দ বা উচ্চারণের দিক থেকে হতো অল্প কিন্তু ব্যাপক অর্থবোধক।’
আসুন আমরা বিশ্বনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের মতো গোছানো সুস্পষ্ট সুসজ্জিত ও মার্জিত ভাষায় কথা বলার চেষ্টা করি। সুন্নাতের অনুসরণ ও অনুকরণে মহান আল্লাহ আমাদেরকে জীবন সাজানোর তাওফিক দান করুন। আমিন।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



