আবির হোসেন সজল : লালমনিরহাট সদর হাসপাতাল। কয়েক লাখ মানুষের ভরসার স্থল হলেও, বর্তমানে এই প্রতিষ্ঠানটি নিজেই ধুঁকছে জনবল সংকটে।বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক থেকে শুরু করে নার্স ও টেকনিশিয়ানের পদ শূন্য থাকায় ব্যাহত হচ্ছে জরুরি চিকিৎসাসেবা। এতে করে দিনের পর দিন দীর্ঘ হচ্ছে রোগীদের ভোগান্তি।

প্রতিদিন শত শত মানুষ এখানে আসে এক টুকরো আশার খোঁজে। কিন্তু হাসপাতালের বারান্দায় দীর্ঘ লাইন —এ যেন নিত্যদিনের দৃশ্য।
ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়েও মিলছে না চিকিৎসক। ১০৪ জন মেডিকেল অফিসার থাকার কথা থাকলেও এখানে রয়েছে মাত্র ১১ জন।জনবল সংকটের কারণে যারা ডিউটিতে আছেন, তাদের ওপরও পড়ছে চরম কাজের চাপ।
উন্নত চিকিৎসা সেবা আর রোগীদের দুর্ভোগ কমাতে ২০১৭ সালের নভেম্বর মাসে প্রায় ৩৭ কোটি টাকা ব্যয়ে ২ শত ৫০ শয্যা বিশিষ্ট নতুন একটি ভবনের নির্মাণ কাজ শুরু করা হয়। তবে নানা জটিলতায় এত বছর পরেও পুরোদমে চালু সম্ভব হয়নি এই ভবনের আনুষ্ঠানিক যাত্রা।
২৫০ শয্যার অবকাঠামো তৈরি হলেও ১ শত শয্যার কম অবকাঠামো ও জনবল দিয়ে চালানো হচ্ছে হাসপাতালের নিয়মিত কার্যক্রম। শয্যা সংকটের কারণে উপায় না পেয়ে এখনও পুরাতন ভবনের বারান্দা ও মেঝের এক বেডেই ২ থেকে ৩ জন রোগীকে থাকতে হচ্ছে। জনবল সংকটের কারণে চাপ সামলাতে না পেরে মেজাজ হারাচ্ছে এখানে কর্মরত অনেকেই এমন অভিযোগ ভুক্তভোগীদের।
হাসপাতালের এমন দুর্দশার কথা নিজেই স্বীকার করে,১০৪ জন মেডিকেল অফিসার থাকার কথা থাকলেও আছে মাত্র ১১ জন, তাই রোগীদের সেবা দিতে বেগ পেতে হচ্ছে বলে জানালেন লালমনিরহাট সদর হাসাপাতালের তত্ত্বাবধায়ক আবু আল হাজ্জাজ।
আরও পড়ুন : ২০২৬ সালে যে ৮ দক্ষতা আপনাকে সফলতা এনে দেবে
সব সংকট কাটিয়ে জেলার চিকিৎসা সেবায় বড় অবদান রাখবে ২৫০ শয্যার এই হাসপাতাল এমনটাই আসা করছেন সংশ্লিষ্টজনেরা।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।


