Close Menu
Zoom Bangla News
  • প্রচ্ছদ
  • জাতীয়
  • অর্থনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • রাজনীতি
  • বিনোদন
  • খেলাধুলা
  • শিক্ষা
  • আরও
    • লাইফস্টাইল
    • বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
    • বিভাগীয় সংবাদ
    • অন্যরকম খবর
    • অপরাধ-দুর্নীতি
    • পজিটিভ বাংলাদেশ
    • আইন-আদালত
    • ট্র্যাভেল
    • প্রশ্ন ও উত্তর
    • প্রবাসী খবর
    • আজকের রাশিফল
    • মুক্তমত/ফিচার/সাক্ষাৎকার
    • ক্যাম্পাস
    • Jobs
    • জমিজমা সংক্রান্ত
Facebook X (Twitter) Instagram
Zoom Bangla News
  • প্রচ্ছদ
  • জাতীয়
  • অর্থনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • রাজনীতি
  • বিনোদন
  • খেলাধুলা
  • শিক্ষা
  • আরও
    • লাইফস্টাইল
    • বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
    • বিভাগীয় সংবাদ
    • অন্যরকম খবর
    • অপরাধ-দুর্নীতি
    • পজিটিভ বাংলাদেশ
    • আইন-আদালত
    • ট্র্যাভেল
    • প্রশ্ন ও উত্তর
    • প্রবাসী খবর
    • আজকের রাশিফল
    • মুক্তমত/ফিচার/সাক্ষাৎকার
    • ক্যাম্পাস
    • Jobs
    • জমিজমা সংক্রান্ত
Zoom Bangla News
Home ধর্ম মুক্তি ও দোয়া কবুলের রাত পবিত্র শবে বরাত
ইসলাম ধর্ম

মুক্তি ও দোয়া কবুলের রাত পবিত্র শবে বরাত

By Shamim Rezaফেব্রুয়ারি 3, 20269 Mins Read

মহিমান্বিত মুক্তির পূণ্যময় রজনী ও দোয়া কবুলের রাত পবিত্র লাইলাতুল বরাত বা শবে বরাত আজ। এ রাতে ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা মহান আল্লাহর রহমত ও নৈকট্য লাভের আশায় নফল নামাজ, কোরআন তেলাওয়াত, জিকির, ওয়াজ ও মিলাদ মাহফিলসহ ইবাদত-বন্দেগির মাধ্যমে কাটাবেন। এ উপলক্ষে ৪ ফেব্রুয়ারি (বুধবার) সরকারি ছুটি রয়েছে।

পবিত্র শবে বরাত

Advertisement

হিজরি সালের শাবান মাসের ১৪ তারিখ দিবাগত রাতটি মুসলমানরা শবেবরাত বা সৌভাগ্যের রজনী হিসেবে পালন করে থাকেন। এ রাতটি ‘লাইলাতুল বরাত’ হিসেবেও পরিচিত।
শবে বরাত রাতে মহান আল্লাহর কাছে পাপ থেকে ক্ষমা প্রার্থনা করে নিস্কৃতি লাভের পরম সৌভাগ্যের রজনী শবে বরাত বা মুক্তির রাত। ‘শব-ই-বরাত’ দু’টি শব্দের সমষ্টি। প্রথম শব্দটি ‘শব’ ফারসি শব্দ, যার অর্থ রাত রজনী। দ্বিতীয় শব্দটি ‘বরাত’ আরবি শব্দ, যার অর্থ মুক্তি। এভাবে শব-ই-বরাত অর্থ মুক্তির রাত। বাংলা ভাষায় বরাত শব্দটি ব্যবহৃত ও প্রচলিত যার অর্থ ভাগ্য, অদৃষ্ট। এ ক্ষেত্রে শব-ই-বরাত অর্থ হবে ভাগ্যরজনী। বিশ্বের বিভিন্ন স্থানের মুসলমানগণ বিভিন্ন কারণে এটি পালন করেন। তবে এক এক দেশে এই মহিমান্বিত রজনীর নাম আলাদা আলাদা। ইরান ও আফগানিস্তানে শবে বরাত নিসফে শাবান, মালয় ভাষাভাষীর কাছে নিসফু শাবান এবং আরবী ভাষাভাষীর কাছে এই বরকতময় রজনী নিসফ শাবান নামে পরিচিত। কোনো কোনো অঞ্চলে লাইলাতুল দোয়াও বলা হয়। আমাদের দেশে এই রাত ‘শবেবরাত’এবং লাইলাতুল বরাত নামে পরিচিত।

হযরত ইমাম বাগবী রহমতুল্লাহি আলাইহি বর্ণনা করেছেন, (হযরত মুহাম্মদ ইবনে মাইসারা ইবনে আখফাশ রহমতুল্লাহি আলাইহি থেকে) তিনি বলেন, হাবীবুল্লাহ হুজুর পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এরশাদ করেন, শাবান মাস থেকে পরবর্তী শাবান মাস পর্যন্ত মৃত্যুর ফায়সালা করে দেয়া হয়। এমনকি লোকেরা যে বিবাহ করবে, সেই বছর তার থেকে কত জন সন্তান জন্মগ্রহণ করবে তার তালিকা এবং তার মৃত্যুর তালিকাও প্রস্তুত করা হয় ওই বছরের অর্ধ শাবানের রাতে অর্থাৎ শবেবরাতে।

সৃষ্টিকুলের প্রতি রহমতের দৃষ্টি দেন এবং মুশরিক ও হিংসুক ছাড়া সবাইকে ক্ষমা করে দেন। এটি নিঃসন্দেহে বরকতময় রাত। রাতটি শাবান মাসের মধ্যবর্তী হিসেবে হাদিসে এই রাতকে লাইলাতুন নিসফি মিন শাবান তথা অর্ধ শাবানের রাত বলা হয়েছে।
মুআজ ইবনে জাবাল (রা.) থেকে বর্ণিত, নবী (সা.) বলেন, ‘আল্লাহ তাআলা অর্ধ শাবানের রাতে সৃষ্টিকুলের প্রতি রহমতের দৃষ্টি দেন এবং মুশরিক ও হিংসুক ছাড়া সবাইকে ক্ষমা করে দেন।’ (সহিহ ইবনে হিব্বান, হাদিস: ৫৬৬৫; আল-মুজামুল আওসাত, হাদিস: ৬৭৭৬; শুআবুল ইমান, হাদিস: ৩৮৩৩; মিশকাতুল মাসাবিহ, হাদিস: ১৩০৬)

শবে বরাত রাতে মহান আল্লাহ রহমতের দুয়ার খুলে দেন। পাপীদের উদারচিত্তে ক্ষমা করেন। আল্লাহর সঙ্গে অংশীদারি স্থাপনকারী ও অন্তরে বিদ্বেষ পোষণকারী ছাড়া সবাইকে ক্ষমা করে দেন। আলি ইবনে আবি তালিব (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, ‘যখন অর্ধ শাবানের রাত তোমাদের সামনে আসে, তখন তোমরা নামাজ আদায় করো এবং পরের দিনে রোজা রাখো। আল্লাহ তাআলা এ রাতে সূর্যাস্তের পর প্রথম আসমানে অবতরণ করেন। এরপর তিনি এই বলে ডাকতে থাকেন—তোমাদের মধ্যে আছে কি কোনো ক্ষমাপ্রার্থনাকারী? আমি তাকে ক্ষমা করে দেব। তোমাদের মধ্যে আছে কি কোনো রিজিক অন্বেষণকারী? আমি তাকে রিজিক দান করব। তোমাদের মধ্যে আছে কি কোনো বিপদগ্রস্ত? আমি তার বিপদ দূর করে দেব। ফজর উদয় হওয়া পর্যন্ত এভাবেই চলতে থাকে।’ (সুনানে ইবনে মাজাহ: ১৩৮৮)

শবে বরাতের আরেকটি তাৎপর্য হলো, এই রাতে সৃষ্টিজগতের ভাগ্য বণ্টন করা হয়। মানুষের ভাগ্য নির্ধারিত, যা পৃথিবী সৃষ্টির ৫০ হাজার বছর আগেই নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে এ রাতে এক বছরেরটি প্রকাশ করা হয়। আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, ‘তুমি কি জানো, অর্ধ শাবানের রাতের কার্যক্রম কী?’ আয়েশা (রা.) বললেন, ‘না, হে আল্লাহর রাসুল।’ নবী (সা.) বললেন, ‘এ বছর যতজন সন্তান জন্মগ্রহণ করবে এবং মারা যাবে তা লিপিবদ্ধ করা হয়। এ রাতেই মানুষের আমল পৌঁছানো হয় এবং এ রাতেই তাদের রিজিক অবতীর্ণ হয়।’ (মিশকাত: ১৩০৫)

অন্য হাদিসে এসেছে, আতা ইবনে ইয়াসার (রহ.) থেকে বর্ণিত, শাবানের ১৫তম রাতে মৃতদের তালিকা (মৃত্যুর দায়িত্বে নিয়োজিত ফেরেশতার কাছে) দেওয়া হয়। এমনকি কোনো লোক সফরে বের হয়, অথচ তাকে জীবিতদের তালিকা থেকে মৃতদের তালিকায় স্থানান্তর করা হয়েছে। কেউ বিয়ে করে অথচ তাকে জীবিতদের তালিকা থেকে মৃতদের তালিকায় স্থানান্তর করা হয়েছে। (মুসান্নাফে আবদুর রাজ্জাক: ৭৯২৫)

মহান আল্লাহ মানুষ ও জিন জাতিকে সৃষ্টি করেছেন আল্লাহর এবাদত করার জন্য। পৃথিবীতে অবস্থানকালীন সময়ে মানুষ ও জিন জাতি কীভাবে চলবে এবং কী কী আমল করবে এবং কোন কোন কাজ পরিহার করতে হবে তা পরিষ্কারভাবে বলে দিয়েছেন। তবুও মানুষ শয়তানের ধোঁকায় পড়ে অনেক পাপ করে থাকে। আল্লাহ বড়ই দয়ালু। তিনি চান অপরাধ করার পর বান্দাদেরকে একটি সুযোগ দিতে চান। যাতে তারা তাদের কৃতকর্মের জন্য অনুতপ্ত হয়ে তার কাছে তওবা করে। তারা যদি এই শবে বরাত রাতে আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করে, তবে তিনি ক্ষমা করে দেবেন। আর এ জন্য রাতটি ক্ষমা প্রার্থনার রাত। সুতরাং পাপীরা এ রাতে ক্ষমা চেয়ে নিতে পারে মহান রাব্বুল আলামিনের কাছ থেকে।

শবেবরাত আগমণের পূর্বেই আত্মীয়-স্বজনদের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন থাকলে তা ঠিক করে নিতে হবে। কারো হক থাকলে তা আদায় করে দিতে হবে। অন্তরকে কলুষমুক্ত করে নিবে।

কোরআনুল কারিমে এসেছে, ‘হা-মিম! শপথ! উজ্জ্বল কিতাবের, নিশ্চয়ই আমি তা নাজিল করেছি এক বরকতময় রাতে; নিশ্চয়ই আমি ছিলাম সতর্ককারী। যাতে সব গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নির্ধারিত হয়। এ নির্দেশ আমার তরফ থেকে, নিশ্চয়ই আমিই দূত পাঠিয়ে থাকি।’ (সুরা-৪৪ দুখান, আয়াত: ১-৫)। মুফাসসিরিনগণ বলেন: এখানে ‘লাইলাতুম মুবারাকা’ বা বরকতময় রজনী বলে শাবান মাসে পূর্ণিমা রাতকেই বোঝানো হয়েছে। (তাফসিরে মাজহারি, রুহুল মাআনি ও রুহুল বায়ান)। হজরত ইকরিমা (রা.) প্রমুখ কয়েকজন তাফসিরবিদ থেকে বর্ণিত আছে, সুরা দুখান–এর দ্বিতীয় আয়াতে বরকতের রাত বলে শবে বরাতকে বোঝানো হয়েছে। (মাআরিফুল কোরআন)।

অনেক হাদিসে এসেছে, ক্ষমার রাত শবে বরাত। আল্লাহ তাআলা এই রাতে অসংখ্য মানুষকে ক্ষমা করে দেবেন। কিন্তু এরপরও কিছু লোক আছেন, যাদের আল্লাহ ক্ষমা করবেন না। এই রাতে তাদের ভাগ্যে ক্ষমা নেই। মুয়াজ ইবনে জাবাল (রা.) সূত্রে বর্ণিত এক হাদিসে রাসুল (সা.) বলেন, মধ্য শাবানের রাতে, অর্থাৎ শাবান মাসের ১৪ তারিখ দিবাগত রাতে আল্লাহ তাআলা সৃষ্টিকুলের প্রতি রহমতের দৃষ্টি দেন এবং মুশরিক, হিংসুক ও বিদ্বেষী লোক ছাড়া সবাইকে ক্ষমা করে দেন।’ (ইবনে হিব্বান, হাদিস : ৫৬৬৫; আল মুজামুল কাবির : ২০/১০৯; শুয়াবুল ঈমান, হাদিস : ৬৬২৮)।

শবে বরাতের ফজিলত সম্পর্কে অনেকগুলো হাদিস বর্ণিত হয়েছে। ইবনে ওমর (রা.) বর্ণনা করেন, ‘এমন পাঁচটি রাত রয়েছে, যেগুলোতে আল্লাহ তাআলা বান্দার দোয়া ফিরিয়ে দেন না। সেই রাতগুলো হলো, জুমার রাত, রজবের প্রথম রাত, শাবানের ১৫ তারিখের রাত, দুই ঈদের রাত।’ (সুনানে বায়হাকি, হাদিস : ৬০৮৭; শুয়াবুল ঈমান, হাদিস : ৩৪৪০; মুসান্নাফে আবদুর রাজ্জাক, হাদিস : ৭৯২৭)

রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, যখন শাবানের মধ্য দিবস আসবে, তখন তোমরা রাতে নফল ইবাদত করবে ও দিনে রোজা পালন করবে। (ইবনে মাজাহ)। নবী করিম (সা.) বলেছেন, ১৪ শাবান দিবাগত রাত যখন আসে, তখন তোমরা এ রাত ইবাদত–বন্দেগিতে কাটাও এবং দিনের বেলায় রোজা রাখো। কেননা, এদিন সূর্যাস্তের পর আল্লাহ তাআলা দুনিয়ার আসমানে নেমে আসেন এবং আহ্বান করেন, ‘কোনো ক্ষমাপ্রার্থী আছো কি? আমি ক্ষমা করব; কোনো রিজিক প্রার্থী আছ কি? আমি রিজিক দেব; আছ কি কোনো বিপদগ্রস্ত? আমি উদ্ধার করব।’ এভাবে ভোর পর্যন্ত আল্লাহ মানুষের বিভিন্ন প্রয়োজনের কথা উল্লেখ করে আহ্বান করতে থাকেন। (ইবনে মাজাহ: ১৩৮৪)।

রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, যে শাবানে ১ দিন রোজা রেখেছে, তাকে আমার সাফায়াত হবে। আরও একটি হাদিস শরীফে আছে যে, হুজুর সালল্লাহু তালা আলাইহি ওয়া সাল্লাম এরশাদ করেছেন, যে ব্যক্তি শাবানের ১৫ তারিখে রোজা রাখবে, তাকে জাহান্নামের আগুন ছোঁবে না।

আয়েশা (রা.) বর্ণনা করেন, রাসুল (সা.) এই রাতে মদিনার কবরস্থান জান্নাতুল বাকিতে এসে মৃতদের জন্য দোয়া ও ইস্তিগফার করতেন। তিনি বলেন, এই রাতে কালব গোত্রের বকরির পশমের সংখ্যার চেয়েও বেশিসংখ্যক বান্দাকে আল্লাহ ক্ষমা করে দেন। (তিরমিজি, হাদিস : ৭৩৯, ইবনে মাজাহ, হাদিস : ১৩৭৯, শুয়াবুল ঈমান, হাদিস : ৩৫৪৪)।

হযরত আসিম ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আবি বকর তাঁর পিতার সনদে দাদা হযরত আবুবকর (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, রাসুল সা. ইরশাদ করেন, ‘আল্লাহ তায়ালা শাবানের ১৫তম রাত্রে দুনিয়ার আকাশে অবতরণ করেন এবং সকল পাপীকে (যারা ক্ষমা প্রার্থনা করে) ক্ষমা করে দেন। তবে’ মুশরিক’ (আল্লাহর সাথে সমকক্ষ সাব্যস্তকারী) ও ‘মুশহিন’ (হিংসুক) ব্যতীত। (-বায়হাকি ফি শুয়াবিল ঈমান হা. ৩৮৩৫)

শবে বরাতের রাত তাৎপর্য মন্ডিত। এর যথেষ্ট ফজিলত ও বরকত রয়েছে। অন্য দিকে মাহে রমজানের আগের মাস হওয়ার কারণে মূলত এটি মাহে রমজানের সাধনা ও অধ্যবসায়ের পূর্ব প্রস্তুতির মাস।

রাসূলুল্লাহ (সা.) এরশাদ করেন শাবান আমার মাস আর রমজান মহান আল্লাহ তায়ালার মাস।

হুজুরে পাক (সা.) আরো এরশাদ করেন, যখন তোমাদের মাঝে শবে বরাতের আগমন হয় তখন তোমরা সেই রাতে জাগ্রত থেকে কাটাও, নামাজ পড়, পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত কর এবং দিনের বেলায় রোজা রাখ।

কারণ, ওই দিন সূর্যাস্তের পরপরই মহান আল্লাহ তায়ালা দুনিয়ার আকাশে ফজর পর্যন্ত স্বীয় নূরের তাজাল্লীর বিচ্চুরণ ঘটান এবং মহান আল্লাহর পক্ষ থেকে ঘোষণা করা হয়-

কোনো গুনাগার নাফরমান ব্যক্তি আছে কি- যে আমার সমীপে ক্ষমা প্রার্থনা করবে? আমি তাকে ক্ষমা করে দিব। রিযিক প্রার্থী কেউ আছে কি- যে আমার কাছে রিযিক প্রার্থনা করবে? তার জন্য আমার রিযিক ভান্ডার খুলে দিব। কোনো বিপদ গ্রস্থ আছে কি- যে আমার কাছে মুক্তি চাবে? আমি তাকে বিপদ থেকে মুক্ত করে দিব।

সারারাত মহান আল্লাহর তায়ালার পক্ষ থেকে সূর্য উদয় হওয়া পর্যন্ত এইভাবে ঘোষণা দেয়া হয়ে থাকে এবং বান্দাদের উপর আল্লাহর রহমত অজস্র ধারায় নাজিল হতে থাকে (ইবনে মাজা)।

হযরত আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণিত আছে, রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেন, আজ রাতে জন্ম মৃত্যু নিধারণ, জীবিকা বন্টন এবং মানুষের সব কার্যাবলী আকাশে উঠানো হবে (জামিয়াতুল তালেবিন )।

হযরত আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত আছে, নবী করিম (সা.) এরশাদ করেন শাবানের মধ্যবর্তী রাতে হযরত জিবরাইল (আ.) আমার নিকট এসে বললেন, হে মুহম্মদ (স.) আপনার মাথা আকাশের দিকে উঠান, কেননা আজ বরকতের রাত। আমি বললাম কেমন বরকত? হযরত জিব্রাইল (আ.) বললেন, এ রাতে মহান আল্লাহপাক রহমতের ৩০০ দরজা খুলে দেন।

রাতের চতুর্থাংশে পুনরায় জিব্রাইল (আ.) এসে বললেন, হে মুহম্মদ (সা.) মাথা উত্তোলন করুন, আমি মাথা উত্তোলন করে দেখলাম বেহেশতের সব দরজা খোলা। প্রথম দরজা থেকে এক জন ফেরেশতা দাঁড়িয়ে বলছেন আজ রুকুকারীদের জন্য সুসংবাদ।

দ্বিতীয় দরজা থেকে একজন দাঁড়িয়ে বলছেন, আজ সেজদাকারীদের জন্য সুসংবাদ। তৃতীয় দরজায় একজন দাঁড়িয়ে বলছেন, আজ জিকিরকারীদের জন্য সুসংবাদ। চতুর্থ দরজায় একজন দাঁড়িয়ে বলছেন, আজ আল্লাহর ভয়ে ক্রন্দনকারীদের জন্য সুসংবাদ।

আমি জিজ্ঞাসা করলাম কখন পর্যন্ত এই দরজা খোলা থাকবে। হযরত জিব্রাইল (আ.) বললেন, সুবহে সাদিক পর্যন্ত।

হযরত হাসান বসরী ( রহ.) নবী করিম (সা.) এর ৩০ জন সাহাবীর থেকে বর্ণনা করেন, এ রাতে নামাজ আদায়কারীদের প্রতি আল্লাহ তায়ালা ৭০ বার রহমতের দৃষ্টি করে থাকেন এবং প্রত্যেক দৃষ্টিতে ৭০টি ইচ্ছা পূরণ করে থাকেন।

রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেন, এ রাতে আল্লাহ তায়ালা বণী ক্বালব, বণী নজীব ও বণী রবি এ তিন বংশের বকরী ভেড়ার পশম সমতুল্য অসংখ গুনাহগারকে মাফ করে দেন। উল্লেখ্য এদের অধিক বকরী ছিল।

আমাদের উচিত আল্লাহর নৈকট্য লাভের জন্য এ রাতে বেশি বেশি নফল নামাজ, তওবা, দুরুদ শরীফ পাঠ জিকির আজগার ও পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত এবং সব মৃত মুসলিম নর-নারীর জন্য দোয়া করা।

বরকতময় এ রজনীতে তওবা-ইস্তেগফার ও ইবাদত-বন্দেগীর মাধ্যমে মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনে নিমগ্ন থাকাই মুমিনের কর্তব্য। অনেকে আবার মনগড়া রীতি-নীতি নিয়ে বিভিন্ন কুসংস্কার মূলক কাজ সওয়াবের আশায় করে থাকেন। এতে সওয়াব না হয়ে হয় কঠিন গুনাহ। যেমন- বোমাবাজী বা আলোকসজ্জা করা, মসজিদে অযথা মোমবাতি জ্বালানো, গরু, ছাগল, মোরগের গোশত যোগাড় করাকে আবশ্যক মনে করা।

কিন্তু বিশেষ কিছু লোক এ ক্ষমা থেকে বঞ্চিত হয়। মহানবী সা. বলেন, ‘শাবান মাসের মধ্যবর্তী রাতে আল্লাহ তার সব বান্দাকে ক্ষমা করেন। তবে মুশরিক, হিংসুক, জাদুকর, ব্যভিচারী, মা-বাবার অবাধ্য সন্তান ও অন্যায়ভাবে হত্যাকারীকে ক্ষমা করেন না।’ (ইবন মাজাহ ১৩৯০)

শবে বরাত রাতে আল্লাহ তাআলা মানুষকে অভাব-অনটন, রোগ-শোক, বিপদ-আপদ ও গুনাহ থেকে মুক্তি চাওয়ার জন্য আহ্বান জানান।

নবী করীম (স.) আল্লাহর দরবারে আগ থেকেই দোয়া করতেন এ বলে— হে আল্লাহ! আমাকে রজব ও শাবান মাসের বরকত দাও এবং রমজান পর্যন্ত পৌঁছাও।

আরও পড়ুন : ২০২৬ সালে যে ৮ দক্ষতা আপনাকে সফলতা এনে দেবে

শবে বরাত উপলক্ষে কোনো ধরনের কুসংস্কার, আতশবাজি, আলোকসজ্জা, বা মনগড়া রীতিনীতি ইসলামসম্মত নয়। এসব থেকে বিরত থেকে কেবল ইবাদত-বন্দেগির মাধ্যমেই আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন করাই মুমিনের কর্তব্য।

fXinmwalink@tg
Zoom Bangla News
Zoom Bangla News
inews.zoombangla.com
Follow

Follow iNews Zoombangla On Google

Open the Google follow page and tap the checkmark option to receive more updates from iNews Zoombangla in your Google news feed.

Follow iNews Zoombangla On Google
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।
Shamim Reza
  • Website
  • Facebook
  • X (Twitter)
  • Instagram
  • LinkedIn

Shamim Reza is an experienced journalist and sub-editor at Zoom Bangla News, with over 13 years of professional experience in the field of journalism. Known for his strong writing skills and editorial insight, he contributes to producing accurate, engaging, and well-structured news content. Born and brought up in Jashore, his background and experience shape his deep understanding of social and regional perspectives in news reporting.

Related Posts
আশুরার রোজা

কবে থেকে শুরু আশুরার রোজা? যা জানা জরুরি

জুন 18, 2026
ইসলাম

সম্পর্ক রক্ষায় ইসলাম যে শিক্ষা দেয়

জুন 18, 2026
নতুন গিলাফে

হিজরির নতুন বছরে নতুন গিলাফে পবিত্র কাবা

জুন 17, 2026
Latest News
আশুরার রোজা

কবে থেকে শুরু আশুরার রোজা? যা জানা জরুরি

ইসলাম

সম্পর্ক রক্ষায় ইসলাম যে শিক্ষা দেয়

নতুন গিলাফে

হিজরির নতুন বছরে নতুন গিলাফে পবিত্র কাবা

বর্ষা

বর্ষার বৃষ্টিতে হৃদয় শুদ্ধ করার আহ্বান

নামাজের সময়সূচি ২০২৬

নামাজের সময়সূচি: ১৭ জুন, ২০২৬

Hajj

আরবি নববর্ষে পবিত্র কাবা শরিফে পরানো হলো স্বর্ণ-রৌপ্যখচিত নতুন গিলাফ

সৎকাজ

সৎকাজের আদেশ ও অসৎকাজে নিষেধ: উম্মতে মুহাম্মাদির প্রধান দায়িত্ব

আজকের টাকার রেট

আজকের টাকার রেট: ১৬ জুন ২০২৬

ঈমান

ঈমান রক্ষায় ইসলামের নির্দেশনা: বিশুদ্ধ আকিদা, ইবাদত ও সৎ সঙ্গের গুরুত্ব

নামাজের সময়সূচি ২০২৬

নামাজের সময়সূচি: ১৫ জুন, ২০২৬

 

Inews

ZoomBangla iNews is your trusted destination for fast, accurate, and relevant Bangla News. We bring you the latest Bengali news from Bangladesh, India, and around the world. From breaking Bangla news to in-depth coverage of politics, sports, entertainment, lifestyle, and technology—ZoomBangla iNews delivers the stories that truly matter to Bangla news readers.

  • About Us
  • Contact Us
  • Career
  • Advertise
  • DMCA
  • Privacy Policy
  • Feed
  • Authors
  • Editorial Team Info
  • Ethics Policy
  • Correction Policy
  • Fact-Checking Policy
  • Funding Information
© 2026 ZoomBangla Pvt Ltd. - Powered by ZoomBangla

Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

tgXwa