
হুমায়ুন কবিরের শোবার ঘরেই থাকে জাল নোট তৈরির সব সরঞ্জাম। সেখানেই অবৈধ সব কারবার। আবাসিক এলাকায় বাসা ভাড়া নিয়ে একযুগেরও বেশি সময় চলে জাল টাকার ব্যবসা। হুমায়ুনের তৈরি জাল নোট মোহাম্মদপুর-আদাবরের বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে পৌঁছে দেবার কাজ করে পাঁচ-ছয়জনের একটি সিন্ডিকেট।
জালনোট তৈরিতে সহযোগী হিসেবে কাজ করে দুই নারী। যাদের একজনের স্বামী একই অপরাধে কারাগারে যাবার পর নিজেই কাজ শুরু করেছেন হুমায়ুনের সঙ্গে। আরেকজন কারাগারে থাকতেই খোঁজ পেয়েছেন হুমায়ুনের।
ডিএমপির গোয়েন্দা শাখার গুলশান জোনের ডিসি মশিউর রহমান জানান, এই চক্রটি বেশ শক্তিশালী সিন্ডিকেট গড়ে তুলেছে। তাই, ছাড়া পেয়েও একই অপরাধে পুনরায় জড়িয়ে পড়ে। রাজধানীর আরো কয়েকটি চক্রকে ধরতে অভিযান চলছে বলে জানায় পুলিশ।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



